ইতিহাস
কাসর আল-কিশলা নির্মিত হয় 1360 হিজরি / 1941 সালে, বাদশাহ আবদুল আজিজের আমলে, প্রায় দেড় বছরে। এটি পাথরের ভিত্তির ওপর মাটির তৈরি একটি সেনানিবাস। এর দেয়াল প্রায় 10 মিটার উঁচু। এতে আছে 12 মিটার উঁচু আটটি গোল বুরুজ, দুটি তলা ও 143টি কক্ষ। কেন্দ্রে তিন সারি স্তম্ভসহ একটি মসজিদ আছে। এ ছাড়া একটি কুচকাওয়াজের উঠান ও যানবাহনের একটি কারখানা ছিল।
1921 সালে হায়েল সৌদি রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর ভবনটি সৌদি সেনাবাহিনীর সেনানিবাস ও অস্ত্রাগার হিসেবে ব্যবহৃত হতো। এটি আল রশিদের আমিরাত থেকে সৌদি রাষ্ট্রে উত্তরণের চিহ্ন।
কাছেই, পুরোনো বারজান বাজারে মাটির দুটি গোল বুরুজ এখনো দেখা যায়। আল রশিদ আমিরদের প্রাসাদের এগুলোই একমাত্র অবশেষ। প্রাসাদটির কাজ 1808 সালে শুরু হয় এবং আমির তালালের আমলে শেষ হয়। খ্রিস্টীয় উনিশ শতকে ইউরোপীয় পর্যটকরা এর বর্ণনা দিয়েছেন (1862 সালে পালগ্রেভ, 1877 সালে ডাউটি, 1879 সালে লেডি অ্যান ব্লান্ট)। 1921 সালের পর এটি ভেঙে ফেলা হয়, তারপর আল-কিশলা নির্মিত হয়।
আল-কিশলার সংস্কার শুরু হয় 2017 সালে। ভবনটি জনসাধারণের জন্য খোলা, বিশেষ করে হায়েলের সাংস্কৃতিক মৌসুমে।
যা নিশ্চিত এবং যা নিশ্চিত নয়
- নিশ্চিত: নির্মাণের তারিখ (1360 হিজরি / 1941), বুরুজ ও কক্ষের সংখ্যা, 2017 সাল থেকে সংস্কার। বাজারে বারজান প্রাসাদের অবস্থান।
- অনিশ্চিত: সূত্রভেদে আল-কিশলার আয়তনের হিসাব আলাদা। বারজান প্রাসাদের বিস্তারিত বর্ণনা পর্যটকদের বিবরণের ওপর নির্ভরশীল। এই ভবনের সঙ্গে সীরাতের কোনো সম্পর্ক নেই।
সূত্র
1. সৌদিপিডিয়া, “আল-কিশলাহ প্যালেস”।
2. উইকিপিডিয়া (ইংরেজি), “বারজান প্যালেস” ও “হায়েল”।