ইতিহাস
জাবাল ইকমা আলউলার উত্তরে বেলেপাথরের একটি পাহাড়। এর দেয়ালে শত শত খোদাই করা শিলালিপি ও ছবি আছে।
সৌদিপিডিয়া অনুযায়ী, এখানে খ্রিস্টপূর্ব প্রথম সহস্রাব্দের দ্বিতীয়ার্ধের 300টিরও বেশি শিলালিপি আছে। একই পাতার অন্য জায়গায় দাদানি ও লিহইয়ানি যুগের 500টিরও বেশি শিলালিপি ও খোদাইচিত্রের কথা বলা হয়েছে। গণনার পদ্ধতিভেদে সংখ্যা ভিন্ন হয়।
লেখাগুলো সে যুগের জীবনের কথা বলে: আচার-অনুষ্ঠান, নৈবেদ্য, মানুষের নাম। ছবিগুলোতে দেখা যায় পশু, বাদ্যযন্ত্র ও দৈনন্দিন জীবন (experiencealula.com)।
এই শিলালিপিগুলো গবেষকদের ধ্রুপদি আরবির আগে এই অঞ্চলের লিপি ও ভাষার বিবর্তন বুঝতে সাহায্য করে।
2023 সালের 24 মে আলউলা রয়্যাল কমিশন ঘোষণা দেয় যে জাবাল ইকমা ইউনেস্কোর বিশ্বস্মৃতি নিবন্ধে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে (সৌদিপিডিয়া)।
ভ্রমণ
experiencealula.com অনুযায়ী, ভ্রমণ হয় সংগঠিত ট্যুরে, দাদানের সঙ্গে। ব্যক্তিগত গাড়ি অনুমোদিত নয়। মূল্য ও সময়সূচি: experiencealula.com-এ যাচাই করুন।যা নিশ্চিত এবং যা নিশ্চিত নয়
- নিশ্চিত: শত শত শিলালিপি, বেশিরভাগ দাদানি, খ্রিস্টপূর্ব প্রথম সহস্রাব্দের।
- নিশ্চিত: 2023 সালে ইউনেস্কোর বিশ্বস্মৃতি নিবন্ধে অন্তর্ভুক্তি।
- অনিশ্চিত: শিলালিপির সঠিক সংখ্যা (লেখাভেদে 300টির বেশি বা 500টির বেশি)।
সূত্র
1. সৌদিপিডিয়া, জাবাল ইকমা। https://saudipedia.com/en/jabal-ikmah
2. এক্সপেরিয়েন্স আলউলা (আলউলা রয়্যাল কমিশন), জাবাল ইকমা। https://www.experiencealula.com/en/places-to-go/jabal-ikmah
3. আরব নিউজ, “স্থান: জাবাল ইকমা, খোলা গ্রন্থাগার”, 2021। https://www.arabnews.pk/node/1963511