ইতিহাস
আল-মুওয়াইলিহ ছিল মিসর থেকে আসা হজের পথের একটি মনজিল। এই পথ লোহিত সাগরের উপকূল ধরে মক্কা ও মদিনার দিকে যেত।
সৌদিপিডিয়া অনুযায়ী, দুর্গটি 1560 সালে নির্মিত হয়। একটি কূপের ওপর থাকা ভিত্তিপ্রস্তর জানায়, এর খরচ দিয়েছিলেন মিসরীয় হজ কাফেলার আমির উসমান ইবনে আজদেমির পাশা।
নকশাটি একটি অসম আয়তক্ষেত্র। উত্তরের দেয়ালটি 109 মিটার লম্বা। চারটি বড় গোল মিনার কোণগুলো ধরে রেখেছে, আর দুটি ছোট মিনার একটি সম্মুখভাগকে মজবুত করেছে। উঠানের চারপাশের কক্ষগুলো হাজিদের কাজে লাগত। ভেতরে একটি মসজিদ আছে। প্রতিরক্ষার জন্য দেয়ালে তীর ছোড়ার ফোকর ছিল।
স্থানটিতে চারটি কূপ আছে: একটি উঠানে, তিনটি উপত্যকায়। 2022 সালের 7 মার্চ ঐতিহ্য কমিশন দুর্গ ও এর মসজিদকে জাতীয় স্থাপত্য ঐতিহ্য নিবন্ধনে অন্তর্ভুক্ত করে।
যা নিশ্চিত এবং যা নিশ্চিত নয়
- নিশ্চিত: মিসরীয় হজের পথের মনজিল, দুর্গের তারিখ 1560, 2022 সালে নিবন্ধনে অন্তর্ভুক্তি (সৌদিপিডিয়া)।
- নিশ্চিত: একটি কূপের ওপর উসমান ইবনে আজদেমির পাশার নামে ভিত্তিপ্রস্তর (সৌদিপিডিয়া)।
- অনিশ্চিত: সঠিক সাল। কিছু সূত্র 967 বা 968 হিজরি বলে।
- অনিশ্চিত: সুলতান সুলাইমানের ভূমিকা এবং প্রবেশদ্বারের ওপরের একটি শিলালিপি। এগুলোর উল্লেখ শুধু গৌণ ওয়েবসাইটে আছে।
- অনিশ্চিত: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় একটি ব্রিটিশ জাহাজের কারণে হয়েছে বলে দাবি করা ক্ষয়ক্ষতি (গৌণ ওয়েবসাইট)।
- সরেজমিনে যাচাই করুন: ভেতরে প্রবেশের সুযোগ ও সংরক্ষণের অবস্থা।
- সৌদিপিডিয়া (ইংরেজি), আল-মুওয়াইলিহ হিস্টোরিক্যাল ক্যাসল: https://saudipedia.com/en/article/2449/history/landmarks-and-monuments/al-muwaylih-historical-castle
- সাবক, জাতীয় নিবন্ধনে অন্তর্ভুক্তি (7 মার্চ 2022): https://sabq.org/article/G6DyEiC
- ইসলামিক আর্কিটেকচারাল হেরিটেজ (সহায়ক সূত্র): https://islamicarchitecturalheritage.com/?p=2310